উপসর্গ আর জরুরি অবস্থা
শর্করা বেড়ে যাওয়া আর জরুরি অবস্থা
3টি লেখা
ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস কাকে বলে?ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস হলো সেই ছবি, যেখানে ইনসুলিনের প্রভাব চর্বির ভাঙা থামাতে না পারার মতো দুর্বল হলে কিটোন জমে রক্তকে অম্লীয় করে তোলে। তার চলা ঘণ্টা কয়েক বা এক-দুই দিনের ভেতরে ভারী হয়। টাইপ 1 ডায়াবেটিসে বেশিবার দেখা যায়, তবে টাইপ 2-এও হয়। এই লেখা বলে ছবিটি কীভাবে গড়ে ওঠে। · 2 মিনিটআরও পড়ুন
কিটোঅ্যাসিডোসিস একটিমাত্র ঘটনা থেকে নয়, একটির উপরে আরেকটি চাপা বদল থেকে জন্মায়। কিটোন তৈরি না থেমে চলে; এই তৈরি কীভাবে শুরু হয় তা বলে কিটোনের লেখাটি। কিটোন জমলে রক্তের ভারসাম্য অম্লের দিকে সরে। তার সঙ্গে পানি হারানো যোগ হয়; হারানোটি নিজে প্রধান হয়ে ওঠা ছবিটি ধরে হাইপারঅসমোলার লেখাটি। কিটোঅ্যাসিডোসিস গড়ে তোলে এদের একই সময়ে এগোনো।
বদলগুলোর পেছনে একটিমাত্র ঘাটতি দাঁড়ানো: ইনসুলিনের প্রভাব যথেষ্ট না হওয়া। যথেষ্ট না হওয়া মানে না থাকা নয়। কারও কারও ইনসুলিন সত্যিই খুব কম। কারও থাকে, কিন্তু চর্বির ভাঙা থামাতে কুলোয় না। নির্দেশিকা ছবিটি তাই পুরোপুরি না থাকা দিয়ে নয়, প্রভাবের যথেষ্ট না হওয়া দিয়ে বর্ণনা করে। টাইপ 2 ডায়াবেটিসেও দেখা যাওয়ার কারণ এটি।
এই বদলগুলোর প্রতিটি বাইরে নিজের চিহ্ন দেয়। ছবিটি একটিমাত্র উপসর্গ থেকে নয়, চিহ্নগুলোর একসঙ্গে দেখা যাওয়া থেকে বোঝা যায়।
| শরীরে যা হয় | বাইরে থেকে যা দেখা যায় |
|---|---|
| রক্তের অম্লের দিকে সরে যাওয়া | গভীর আর দ্রুত শ্বাস |
| কিটোনের নিঃশ্বাসে বেরোনো | মুখে ফলের মতো গন্ধ |
| পানির প্রস্রাবে হারানো | মুখ শুকানো, দুর্বলতা, উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা |
| হজম ধীর হওয়া | বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা |
| মস্তিষ্কের তরল আর অম্লের ভারসাম্যে প্রভাবিত হওয়া | ঘুম ঘুম ভাব, মন ছড়িয়ে যাওয়া, চেতনায় ঘোলাটে ভাব |
চিহ্ন সব সময় একসঙ্গে আর একই ক্রমে আসে না। কোনো ছবিতে বমি ভাব সামনে আসে, কোনো ছবিতে শ্বাস। ফলের মতো গন্ধটি নেলপলিশ তোলার তরলের গন্ধের সঙ্গে মেলান কেউ কেউ, কিন্তু মানুষটি নিজে এই গন্ধ বেশির ভাগ সময় টের পান না আর পাশের মানুষ পান। পেটের ব্যথা অবশ্য সাধারণ একটি পেটের গোলমালের মতো লাগতে পারে। আলাদা করে দেয় ব্যথাটির একা না আসা; তার পাশে মুখ শুকানো, গভীর শ্বাস বা ঘুম ঘুম ভাব থাকলে ছবিটি আলাদা।
কিটোঅ্যাসিডোসিস ধীর একটি চলা মেনে চলে না। ঘণ্টা কয়েক বা এক-দুই দিনের ভেতরে ভারী হয়। সকালে হালকা একটি বমি ভাব দিয়ে শুরু হওয়া ছবিটি সন্ধ্যায় একেবারে অন্য রকম দেখাতে পারে। গতি, কিটোঅ্যাসিডোসিসকে সাধারণ একটি উঁচু মাপ থেকে আলাদা করা সবচেয়ে স্পষ্ট বৈশিষ্ট্য আর ছবিটি আগেভাগে চেনা মূল্যবান করে তোলে এটিই।
টাইপ 1 ডায়াবেটিসে ইনসুলিন তৈরি এমনিতেই খুব কম বলে ছবিটি এই দলে বেশিবার দেখা দেয়। টাইপ 2 ডায়াবেটিসও ছাড় পায় না আর কমও গোনা হয় না। সংক্রমণ, ভারী একটি অসুখ, অস্ত্রোপচারের একটি কাজ বা কিছু ওষুধের দল জমি তৈরি করে। সংক্রমণের নিজের চিহ্ন আছে: জ্বর, কাঁপুনি, কাশি, গলা ব্যথা, প্রস্রাবের সময় জ্বালা, পায়ে লালচে ভাব, রস পড়া বা না বোজা একটি ক্ষত। অসুস্থ দিনে শরীরের ইনসুলিনের দরকার বাড়ে, খিদে অবশ্য নামে। মাপ স্পষ্ট না বেড়েও গড়ে ওঠা একটি রূপও আছে, সেটি আলাদা একটি লেখার বিষয়।
কিটোঅ্যাসিডোসিস চেনা একটিমাত্র মাপের উপরে নয়, চিহ্নগুলো একসঙ্গে দেখার উপরে দাঁড়ানো। কিটোনের মাপ এই পড়ার কেবল একটি অংশ। ছবিটি কোন বিন্দুতে দাঁড়িয়ে আর কী চাইছে তা বিচার করা যত্নের দলের কাজ।
কোন অবস্থা অপেক্ষা করে না?ডায়াবেটিসে সামনে আসা প্রশ্নের বেশির ভাগ পরের সাক্ষাৎকারে থেকে যায়, তবে কয়েকটি অবস্থা একই দিন চায়। আলাদা করে দেয় যন্ত্রের সংখ্যা নয়, শরীরের দেওয়া চিহ্ন: চেতনা, শ্বাস, বমি আর ক্ষত। নিচের ছকটি এই চিহ্নগুলো নির্দেশিকার বর্ণনা করা ভাবেই এক এক করে সাজিয়ে দিচ্ছে। · 3 মিনিটআরও পড়ুন
ডায়াবেটিস নিয়ে বাঁচা একজন মানুষে বেশির ভাগ বদল সময়ে ছড়ায় আর পরের দেখায় থেকে যায়। ক্লান্তি, খিদের নড়াচড়া বা ঘুমের ভেঙে যাওয়া খাতায় লেখার মতো জিনিস। কিন্তু কয়েকটি চিহ্ন ওই ক্রমটি ভেঙে দেয়। তাদের যৌথ দিক এই: শরীর ভারসাম্য নিজে থেকে গুছিয়ে নিতে পারছে না আর ছবিটি নিজে থেকে ফিরছে না। এই লেখার বিষয় ওই ছোট তালিকাটি।
এই তালিকা গড়ে তোলে মাপার যন্ত্রের পর্দার সংখ্যা নয়, শরীর ওই সময়ে কেমন আচরণ করছে সেটি। একই সংখ্যা একজনে শান্ত একটি দিনের অংশ, অন্যজনে ভারী একটি ছবির প্রথম ঘণ্টা। নির্দেশিকাও জরুরি হওয়াটি একটিমাত্র সীমার সঙ্গে বাঁধে না; শ্বাসের দিকে, চেতনার স্বচ্ছতার দিকে আর তরল পাকস্থলীতে থাকছে কি না তার দিকে তাকায়। চিহ্নের ভাষা সংখ্যার চেয়ে বেশি কিছু বলে।
| চিহ্ন | কী বোঝায় |
|---|---|
| চেতনায় বদল | জাগাতে কষ্ট হওয়া, মন ছড়িয়ে যাওয়া বা সাড়া না দেওয়া; মস্তিষ্কের জ্বালানি আর তরলের ভারসাম্য ভেঙে গেছে মানে। |
| বমি না থামা | বমি ভাব আর বমি কিটোঅ্যাসিডোসিসের আগেভাগের মুখ; পেটে ব্যথাও প্রায়ই সঙ্গে আসে। |
| গভীর আর দ্রুত শ্বাস | শরীর রক্তের অম্ল শ্বাস দিয়ে বের করার চেষ্টা করছে। কিটোঅ্যাসিডোসিসে দেখা যায়, তবে প্রতিটি ঘটনায় বেরোয় না; এই শ্বাস শোনা না গেলেও বমি আর ঘোলাটে ভাব ছবিটি বয়। |
| মুখে ফলের মতো গন্ধ | শ্বাসের সঙ্গে বেরোনো অ্যাসিটোনের গন্ধ; কিটোন রক্তে জমেছে দেখানো বাইরের চিহ্ন। |
| তরল ধরে রাখতে না পারা | চুমুকে খাওয়া পানিও পাকস্থলীতে না থাকলে পানি হারানো দ্রুত হয় আর বাড়িতে গুছিয়ে ওঠার পথ থাকে না। |
| গিলতে না পারা অবস্থায় নেমে যাওয়া শর্করা | বিভ্রান্তি, সাড়া দিতে না পারা বা খিঁচুনি এই ছবির মুখ। মুখ দিয়ে দেওয়া কাজে আসে না; যে পথ ধরা হয় আর কে তা প্রয়োগ করেন তা বলে গ্লুকাগনের লেখাটি। |
| না যাওয়া বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট | ডায়াবেটিসে বুকে ব্যথা ভোঁতা হয়ে যেতে পারে; সিঁড়ি ওঠার সময় আসা শ্বাসকষ্ট, বমি ভাব আর অস্বাভাবিক ক্লান্তিও একই দরজায় গিয়ে ওঠে। |
| পায়ে দ্রুত বড় হওয়া ক্ষত বা লালচে ভাব | লালচে ভাবের সীমা ঘণ্টার ভেতরে চওড়া হলে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। রঙের বদল, ভেতরে পানি ভরা ফোসকা আর পায়ে নতুন শুরু হওয়া অসাড়তাও নির্দেশিকার ভারী গোনা চিহ্ন। |
ছকের প্রতিটি সারি একটি পর্যবেক্ষণ, একটি শনাক্তকরণ নয়। পাশাপাশি দুটি চিহ্ন দাঁড়ালে ছবিটি আরও পরিষ্কার; বমির উপরে গভীর শ্বাস চাপা অবস্থাটি নির্দেশিকা আলাদা একটি শিরোনামে বলে। চেতনা বন্ধ হলে সিদ্ধান্ত মানুষটির নিজের হাতে থাকে না; ওই মুহূর্তে ছবিটি পড়েন তাঁর পাশের জন।
জরুরি হওয়া কোনো ভয়ের শব্দ নয়, সময়ের একটি খবর। কিটোঅ্যাসিডোসিস ঘণ্টা কয়েক বা এক-দুই দিনের ভেতরে ভারী হয়; অন্য সংকটের ছবিটি অনেক বেশি ধীরে এগোয় আর দুটিকে আলাদা করা রেখাটি অন্য একটি লেখার বিষয়। সময়টি জানা সিদ্ধান্ত আগে নিয়ে আসে, বাড়ির চোখগুলোকেও তালিকার একটি অংশ বানায়।
- এই তালিকায় সংখ্যার কোনো সীমা নেই কেন?
- কারণ জরুরি হওয়া ঠিক করে পর্দার সংখ্যা নয়, শরীরের আচরণ। একই মাপ দুজন মানুষে দুটি আলাদা জিনিস বলে আর নির্দেশিকা শনাক্তকরণ গবেষণাগারে ছেড়ে চিহ্নগুলো সামনে আনে। মাপের একক দেশে দেশে বদলায়; চিহ্নের ভাষা অবশ্য যৌথ।
- একই দিনে দেখা দরকার এমন একমাত্র জিনিস কি উঁচু শর্করা?
- না। গিলতে না পারা অবস্থার নেমে যাওয়া শর্করাও একই সারিতে, কারণ মুখ দিয়ে দেওয়া জিনিস কাজে আসে না। শোধরানোর পরেও ফিরে আসা নেমে যাওয়া শর্করাও একই জায়গায় পড়ে; কিছু ওষুধ শরীরে প্রত্যাশার চেয়ে লম্বা থাকে, বৃক্কের কাজ ভেঙে পড়লে সময় আরও লম্বা হয়। পায়ের ক্ষত অন্য একটি পথে এগোয়; নির্দেশিকা দ্রুত চওড়া হওয়া লালচে ভাবকে আরও ভারী শ্রেণিতে রাখে। বুকের চাপ বা কারণহীন শ্বাসকষ্টও ডায়াবেটিসে নীরবে চলতে পারা একটি চিহ্ন।
কিটোন কী, কখন দেখা হয়?কিটোন হলো কোষ গ্লুকোজ যথেষ্ট ব্যবহার করতে না পারলে যকৃতের চর্বি থেকে বানানো বিকল্প জ্বালানি। রক্তে অল্প পরিমাণে থাকা স্বাভাবিক; সমস্যা বেরোয় কেবল জমতে শুরু করলে। এই লেখাটি বলে কিটোন আসলে কী, রক্ত আর প্রস্রাব কেন আলাদা জিনিস দেখায় আর বিষয়টি কোন অবস্থায় সামনে আসে। · 3 মিনিটআরও পড়ুন
কোষ শক্তি বেশির ভাগ সময় গ্লুকোজ থেকে নেয় আর এই জ্বালানি ভেতরে নিতে ইনসুলিন চায়। ইনসুলিনের প্রভাব যথেষ্ট না হলে গ্লুকোজ রক্তে জমে কিন্তু কোষের ভেতরে কিছুতেই ঢুকতে পারে না। শরীর তখন হাতের দ্বিতীয় জ্বালানির দিকে যায়। যকৃৎ ফ্যাটি অ্যাসিড ভাঙতে শুরু করে আর কিটোন নামের যৌগ বেরিয়ে আসে। এগুলো পেশি আর মস্তিষ্কের জন্য সত্যিকারের জ্বালানি, অর্থাৎ কিটোন নিজেই কোনো গোলযোগ বলে গোনা হয় না।
দীর্ঘ সময় না খেয়ে কাটা একটি দিনের পরে বা লম্বা একটি হাঁটার পরে অল্প কিটোন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। ছবিটি বদলাতে শুরু করে সেই বিন্দুতে, যেখানে তৈরির গতি ব্যবহারের গতি ছাড়িয়ে যায়। কিটোন জমলে রক্তের অম্লের ভারসাম্য ভাঙে আর এই সরাটি বাইরে নিজের চিহ্ন দেয়। বমি ভাব, পেটে ব্যথা, গভীর আর দ্রুত শ্বাস আর মুখে ফলের মতো একটি গন্ধ এই চিহ্নের প্রধান।
জমা দ্রুত করে ইনসুলিনের প্রভাব শরীরের সেদিনের দরকারের নিচে থেকে যাওয়া। কখনও এই প্রভাব পুরোপুরি হারিয়ে যায়। আরও ঘন দেখাটি, ইনসুলিন সামনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাজ করতে না পারা। নির্দেশিকা দুটিকে একটি শিরোনামে জড়ো করে: ঘাটতি হয় পুরোপুরি নয়তো আপেক্ষিক, দুটিই একই দরজায় গিয়ে ওঠে। জমা শুরু হলে ছবিটি ঘণ্টার ভেতরে গড়ে ওঠে, দিনে ছড়ায় না। তাই কিটোন, শর্করার নিজের থেকে আলাদা একটি খবর বয়।
কিটোন দুটি পথে দেখা হয় আর এই দুটি পথ একই খবর দেয় না।
| রক্ত থেকে মাপ | প্রস্রাবের কিটোনের ফালি | |
|---|---|---|
| কী ধরে | কিটোনের প্রধান ধরন বিটা-হাইড্রক্সিবিউটাইরেট | মূলত অ্যাসিটোঅ্যাসিটেট |
| কোন মুহূর্ত দেখায় | যে মুহূর্তে আছেন সেটি | কয়েক ঘণ্টা আগেরটি |
| ফলের রূপ | সংখ্যায় একটি মান | রঙের কার্ড দিয়ে মোটা দাগে মেলানো |
| জানা দুর্বলতা | তার ফালি বেশি দামি | ছবি শুরু হওয়ার সময় নিচু, ঠিক হওয়ার সময় উঁচু দেখাতে পারে |
মাঝের ফারাকটি ছোট কোনো টুকিটাকি নয়। প্রস্রাবের ফালি যা ঘটেছে তা দেরি করে পৌঁছে দেয়, কারণ প্রস্রাব কয়েক ঘণ্টা আগে ছাঁকা হওয়া জিনিস বয়। ছবিটি ঠিক হতে শুরু করলে ফালি তখনও গাঢ় একটি রং দিতে পারে আর এর কারণ, ঠিক হওয়ার সময় ফালির ধরা ধরনটির সাময়িকভাবে বেড়ে যাওয়া। রক্তের মাপ অবশ্য যে মুহূর্তে আছেন সেটি দেখায়, নির্দেশিকা তাই রক্তের মাপটি সামনে আনে।
কিটোনের বিষয়টি প্রতিদিন সামনে আসে না আর অবিরাম নজরদারি চাওয়া কোনো শিরোনামও নয়। নির্দিষ্ট কিছু অবস্থায় সামনে আসে:
- মাঝে ঢুকে পড়া অসুস্থ দিন: জ্বর, কাঁপুনি, প্রস্রাবের সময় জ্বালা বা পাতলা পায়খানার মতো সংক্রমণের চিহ্ন শরীরকে চাপে ফেললে
- বমি বা নেওয়া তরল ভেতরে ধরে রাখতে না পারা
- ইনসুলিনের কোনো একটি ভাবে কম পড়া, যেমন পাম্পের সেট বন্ধ হয়ে যাওয়া
- মাপের প্রত্যাশার চেয়ে লম্বা সময় উঁচু চলা
- উপরে গোনা চিহ্নের একটি ছবির সঙ্গে থাকা
ফল কতটা আর কী সঙ্গে আছে দুটি একসঙ্গে অর্থ পায়। ফালি ভিজে একটি স্নানঘরের তাকে খোলা অবস্থায় অপেক্ষা করলে তার রং নষ্ট হতে পারে, কৌটার গায়ের শেষ ব্যবহারের তারিখও ফলে প্রভাব ফেলে। থার্মোমিটার যেমন জ্বর মেপে তার কারণ বলে না, কিটোনের মাপও অবস্থাটি বর্ণনা করে। ফলটির মানে কী তা ঠিক করে যত্নের দল মানুষটির পুরোটার দিকে তাকিয়ে।
তার একটি ব্যতিক্রম আছে। মাপের পাশে বমি, পেটে ব্যথা, গভীর হয়ে আসা শ্বাস বা ঘুম ঘুম ভাব দাঁড়ালে ছবিটি পরের সাক্ষাৎকারে থাকে না। কোন চিহ্ন অপেক্ষা করে না তা সাজায় আলাদা একটি লেখা।
এই লেখা কেবল জানানোর জন্য; এটি রোগ শনাক্তকরণও নয়, চিকিৎসা বা মাত্রার নির্দেশও নয়। আপনার চিকিৎসার সিদ্ধান্ত সব সময় সেটিই যা আপনি আপনার ডাক্তারের সঙ্গে মিলে নেন।